Saturday, January 28, 2012

Poetry 11

#


সূর্যকে পাওয়ার আশাতেই নতুন করে ফুটে ওঠে সূর্যমুখী 
তার তন্ময়তার সুযোগে মধু চুরি করে নীল পোকারা 
পরাগমিলন ঘটার পর যদি সে মরে যায়, বেঁচে যায়
তা না হলে তার বীজ পিষে নিংড়ে নেওয়া হয় তেল
এমনি নিয়ম, পোকার এঅথো সূর্যমুখী নষ্ট হয়ে যায় 
সূর্যও জানে সেই কথা, আরো জানে সূর্যমুখী কোনো ফুল নয় -
অজস্র ফুল, সূর্য চেয়েছিল বলে, একাকী সূর্যমুখী হয়ে যায় ll 

Thursday, January 19, 2012

Poetry 10 of Series 2

১০.
#

হয়ত কোনদিন তুমি দিগ্ভ্রস্ত-বিভ্রান্ত-অবসন্ন শরীরে
মাদ্ধির নেশায় মোহন বাঁশির সুরে মুগ্ধ চাঁদের জোত্স্নায়
আপাত সুন্দর কোনো কোনো বিশের খেলায় ডুবে যাবে
এইভাবে একদিন সব সুর থেমে গেলে শুনব প্রিয়তমার পদশব্দ
এইভাবে চোখের জল সব শুকিয়ে গেলে দেখব প্রিয়মুখ নক্ষত্র
দাবি আজও রয়ে গেছে কাছে এস কাছে, আরো কাছে
যা আমি হারিয়ে ফেলেছি তা বিস্ময় আর বিশ্বাসের কবিতা
দুঃসহ প্রেম যে রক্তে প্রবাহিত সম্মৃদ্ধি প্রধান নয়, বিশিষ্ট সৌন্দর্য
অর্জিত রূপ ও তার ভিন্নতার কাছে লুটিয়ে পড়েছি বারে বার
শরীর ও ভালোবাসা আজ এই দুঃস্বপ্নের ভিতর একাকার
বুঝতে পারি অন্ধকার কত তীব্র-মত্ত-মগ্ন
সেই এলোচুল, সেই নীরব চোখের পাতার হাহাকার, চুম্বন
নক্ষত্রের নীচে নত হয়ে বসি, আহা স্নিগ্ধ আলোখানি
আমার চোখের জল হারিয়ে ফেলেছি কতকাল
তুমি যাই হও, জারি হও সুধু ছুঁতে চাই দুটি হাত
তুমি তুমিই নক্ষত্র, নারী আমার ll 

Tuesday, January 10, 2012

Poetry 9 of Series 2

#
৯. 


নক্ষত্র হয়ত চায় -
ভালোবাসা দেবার বিনিময় - 
ভালোবাসা ভুলে যাওয়া প্রতিশ্রুতি
কাওকে না কাওকেতো কাঁদতেই হয়, 
স্বর্গীয় পরিহাস 
এত প্রেম আর কাউকে দিতে পারি না!
স্মৃতির কানা-কড়ি চোখের ঝরনা ll 

Monday, January 9, 2012

Poetry 8 of Series 2

#
৮.

বুকের ওপর নরম হাত - কী গরম!
আমাদের সকলেই জানে সেই কথা
মৃত্যুর আলিঙ্গনে ছায়া-ছায়া সঙ্গম যতটা জীবন্ত
নতুন ঠোঁটের স্পর্শ ও পুরনো রেকর্ডের গানও ততোটাই দামী
তাই মরতে থাকি বার-বার যখন বুকটা উস্কে দিয়ে চলে যাও
বা হঠাতই কোনদিন আকাশে উড়িয়ে দাও লিপস্টিক রঙের মেঘ
আমি এতদূর মরে গেছি -
বুকের ভিতর শুকনো পাতা আমার হৃথপিন্ড ll 

Sunday, January 8, 2012

Poetry 7 of Series 2

#

৭.


ওজনের দাঁড়িপাল্লায় কে আমাকে ঠকিয়েছে 
পরীক্ষার খাতার নম্বরে কে আমাকে ঠকিয়েছে
এসব ভেবে যে লাভ নেই সেটাও ঠকেই শিখেছি
জেনেছি কিশোর-কালের স্মৃতি ধীরে ধীরে উবে যাওয়া কর্পূর
কিন্তু, ভালবাসা বুকের গোপন ব্যাধি
রুমালের ভাঁজে যত্নে তুলে রাখা লিপস্টিক 
ঠোঁটের ভাজে ভাজে কাটতে থাকা ঘুন পোঁকা একটু একটু
ওহ! কী ভয়ানক সেই চুমু - শরীর তুষের মতো জ্বলে
আসল বাদে উপরির হাত ধরে ভাঙছি মিথ্যার চলচিত্র ll 

Monday, January 2, 2012

Poetry 6 of Series 2

#

৬. 


তবু যদি ভরসা দাও আমার দু'হাতের শ্রম, দু'চোখের আলো, দু'ঠোঁটের কথা 
আমার বুকে তিল-তিল করে গড়ে ওঠা যে নিখাদ ভালবাসা 
তোমাকেই উজার করে দিতে চেয়েছি বার বারে 
একটি মুহুর্তে যার উন্মেষ, একটি আকাঙ্ক্ষায় যার পূর্ণতা 
একটি জীবনকে ঘিরেই যা নিঃশেষ
তার দায়িত্ব কি তোমারও নয় ll 

Sunday, January 1, 2012

Poetry 5 of Series 2

#

৫.

সোজা হয়ে হাঁটতে ভুলে গিয়ে মাথা নুয়ে রাস্তায় চলো
আন্দাজে বুঝি এটাও তোমার নতুন ফ্যাসন
যদিও কেমন তা বুঝি না,
যেমন বুঝি না তোমার চুলের ফুল ও কাঁটা
চিবিয়ে খেলে যে মাছের মাথা
যদি গলায় ভোকে তারই কাঁটা
বাঙালি নারী নাকি লজ্জাবতী লতা
তবুও মনে হয় নারীর ধ্রুপদী লজ্জা নারীকেই  গ্রুমিং করে
নক্ষত্র, আমার হৃদয় জুড়ে তোমারি দয়ার পরাকাষ্ঠা
যা কিছু রয়েছে আমার সঙ্গতি তোমাকেই দিতে চাই
কিন্তু জানি অসম্ভব নক্ষত্র -
তোমার আরতি কি করে পূর্ণ হবে!
আরতিতে উষ্ণতা আসে খরচের অনুপাতে
আর আজকে আমি নিঃস্ব
ভুল করেছি আমি শুনে মরুভূমিতে জলপ্রপাতের শব্দ ll  

Friday, December 23, 2011

Poetry 4 of Series 2

#

৪.

গোলাপী রং ভালবাসতে বলে দুধে ফেলছি বিষ আলতা
এমনসময় হঠাত নিজেই হাতে তুলে নিলে বিষাক্ত তীর
শুন্য বুকে হাত রাখতে রাখতে দেখলাম
দূর থাকে সাপের খোলসের মতো তুমি
জন্ম-দিনের রাত্রিতে আড়াআড়ি ভাবে আছ সুয়ে
তোমার পাশে নতুন সাথী দখল নিয়ে আমার জমি 
বন্ধুর শত্রুতা পেয়ে শত্রুর বন্ধুত্ব চাওয়াটা হয়ত দস্তুর
সহমরণের তাপে জ্বলে যায় যত ছিল শরীরী সুখ ll 

Wednesday, December 21, 2011

Poetry 3 of Series 2

#

৩.

সেদিন সারাদিন স্নায়ুতে ছিল তোমাকে মাথায় করে রাখা
সোনাঝুরিতে নিসর্গ দ্যাখো, গীতাঞ্জলিতে সিনেমা দ্যাখো, দ্যাখো নাট্ট্যঘর
সামনে আসীন নক্ষত্র, দুটি হাত তার কি তুলতুলে গরম
পাশে বসে থেকে দেখেছি ভালোবাসার ঘুমন্ত মুখ
নরম কোলের ওপর সুন্দর ওই বুকের স্পন্দন ,
ছায়ায় জ্বলে উঠা চোখ আর চোখের স্থির দৃষ্টিতে জ্বলন্ত মুখ ll   

Monday, December 12, 2011

Poetry 2 of Series 2

 #
২. 


তুমি মৌন মৌচাক! আকৃষ্ট আমি মৌমাছি 
হঠাত বিকেলটা দেয়ালে পিঠ দিয়ে সার্কাসের বিজ্ঞাপনের মতো 
হওয়া এসে উড়িয়ে দিল ছোট্ট ছোট্ট চুল 
অসহায় গলায় বলি  - এ কি রকমের ইয়ার্কি ?
তুমি বললে - এই খেলাটা ফুরোলে আমাকে নতুন খেলা সেখাবে l 
তরুণ নই, বালক নই, ভালবাসাও জানি না -  
আমাকে তুমি শিখিয়েছিলে সর্বনাশা খেলা 
সুন্দরের নখের মধ্যে ছুরি, ধারালো দাঁত - 
লুকিয়েছিল, বুঝিনি আমি প্রেম না ভালোবাসা
জেনেছি শুধু উষনতার শীতল পরিণতি
শয্যাসুখে কেটেছিল দুপুর, তবুও কেন জানি না
বিষন্ন কিছু শব্দে, আজও কানে বাজে তোমার নুপুর ll 

Sunday, December 11, 2011

Poetry 1 of Series 2



#
১.

কিছুই করে না মুগ্ধ, আশ্চর্য সুন্দর তুমি !
আলোচনা কর কত কিছু - ঠোঁটের মুচকি হাসির মতো;
শেষ বিকেলের মরা আলোয় বাংলা কোচিঙে প্রথম দেখা,
তারপর থেকে ঝুলবারান্দার নিচে দাঁড়িয়ে কিশোর:
মাঝে মাঝে বাড়ির গ্রিলের আড়ালে ভেসে উটছে মুখ,
স্চ্কুলছাত্রী তোমার মতো চঞ্চল একটি তারাও দেখিনি;
অনেক মেঘই হেসে হেসে গেল ভেসে, ফাঁকি দিয়ে চাঁদকে l

Thursday, December 8, 2011

Poetry 15 of Series 1

#
১৫.


আলোর নীচে নীল অন্ধকার মৃত্যু 
ডুবে যাওয়া অতীত, শহর-বন্দর
ভেসে ওঠে যা কিছু রয়েছে অবশিষ্ট লিথ-ও-গ্রাফী 
যেন শেষ বিচারের জন্য জাদুঘরে অপেক্ষা করে পোকায় কাটা মমি
আমি নই ফ্যারাও-এর উত্তরসুরি, হতে চাইও না মমি 
তবু আপশোষ, আমার নিজের কোনো নাই লিথ-ও-গ্রাফী 
ধীরে ধীরে আমাকেও গিলে খাবে নীল অন্ধকার 
বিস্মৃতির নীল আঁধার থেকে আমি দেখব আমার উত্তর প্রজন্ম
পোকায় কাটা মমি ও আমার কালো আঁচর কাটা খাতা তারা জাদুঘরে রাখে ll

Wednesday, December 7, 2011

Poetry 14 of Series 1

#
১৪. 


নীরিশ্বরবাদ বড়ই জটিল 
মাথাভাঙ্গা অলংকৃত মন্দির, বিগ্রহ বিহীণ সিল করে দেওয়া গর্ভগৃহ
বা সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়া মূল মন্দিরও একই কথা বলে
সুধু অনুপম পুরাকৃতির অবশিষ্টটুকুই কি নিয়ে আসে এই ঝড়
ভাঙা মূর্তি বা রথচক্র সূর্য দেবের আজও  অমলিন 
মিথুনরত ভাস্কর্য খোদাই করা দেয়ালে খুজলে পাওয়া যায় শৈসব-কৈশোর-যৌবন
স্বভাব অনুযায়ী অতীতকে ভুলে থাকার চেষ্টা করাই যায় 
তবু পাঁচহাজার বছরের ভাঙাচোরা স্থাপত্য তো বিগ্রহই
নতজানু হয়ে বসি তার সামনে আর অবাক বিস্ময়ে দেখি
আমাদের ঐতিয্য ও তার ভবিষ্যত ll

Sunday, November 27, 2011

Poetry 13 of Series 1

#
১৩. 


কবি সমালোচকের আলোয় বা আলোহীন জ্যোতিষ্ক সবগুণাতীত পুরুষের জটা ধরে বিশিষ্টতা পায় 
সারা বছর সেই জ্যোতিষ্কের ষোলোকলার অন্তত একটিকে ধরে রেখে বিশিষ্ট চন্দ্রভাগা
তবু রয়ে গেছে তার প্রশান্ত স্নিগ্ধ বুক উন্মুক্ত করে
নিন্দুকে বলে নষ্ট সে, তবু রসিক জনেরা জানে তার কথা
পাগল ব্যক্তি বিশেষ শেষপযর্ন্ত তার প্রেমে মজে ডোবে চোরাবালিতে
রাত্রিশেষে সাইন বোর্ডে লেখা হয় বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ - এখানে স্নান করা নিষেধ ll

Saturday, November 26, 2011

Poerty 12 of Series 1

#
১২. 


পিছলে পড়া আলোর আদরে,
মৃদু উষ্ণতায়, উচ্ছৃঙ্খল শব্দে বন্দী আকাশ 
কিছু পলকা পালক উড়ে আসে তাদের ডানার ঝাপটে 
ভাগ্যবানেরাই পায় তার ডানার ঝাপট - এই বিশ্বাস আজ রয়ে গেছে 
সন্ধেবেলায় সূর্য যখন লাল 
তারা দ্বীপে ফিরে যায়, হয়ত বিশ্রাম করে 
সারাগায়ে মেখে নিয়ে সবুজ-মেকআপ l

Friday, November 25, 2011

Poetry 11 of Series 1


#
১১.


লেগুণ লেগুণ তুমি কার, রতনাকর রক্তের সম্পর্কে 
চত্ব একফালি সবুজ ধ্যানমগ্ন ডুবে থেকে নীলের ভিতর 
টাকার মূল্য খুবই কম ডলারের কাছে
বহুজাতিক উত্সবময়তা কুঁড়ে কুঁড়ে খায় কৌম ধারণা 
বেচারা লেগুণ, বহুজাতিক-আন্তর্জাতিক রাহুর দৃষ্টিতে ক্ষয়ে যেতে থাকে 
বদলে যেতে থাকে তার রাসায়নিক চরিত্র, নীল রক্ত  সবুজ হয়ে যায়
কৌম তখন দূরে দাঁড়িয়ে ঠোঁট কামরায় আর প্রতিক্ষা করে 
একসময় বিস্ফোরণে প্রভুদের ঘুম ভাঙে
অমৃত পানের পরই রাহুর মাথা কাটা হয়
কৌম ফিরে পায় তার যুগ-যুগের অর্জিত জ্ঞানের অধিকার 
লেগুণ লেগুণ তুমি কার, রতনাকর রক্তের সম্পর্কে ll

Wednesday, November 23, 2011

Poetry 10 of Series 1

#
১০.


শেষ যেদিন তোমাকে নিয়ে বেড়াতে যাবো প্রীয়তমা 
তোমাকে কিনে দেব ওয়াইন কালারে ছাপানো কটকি আকাশটাই 
উপহারের জন্য নিয়ে নেও ধোওয়া ধোওয়া ভেসে আসা নীল সাগর 
তারপর?
দুজনে গিয়ে বসবো কটকি আকাশ ও নীল সাগরের সঙ্গমস্থলে
হাঠতই তোমার সারা শরীরের রক্ত এসে জমা হবে গালে কানে সারা মুখে 
বড়ই চেনা শোনা একান্ত আপন রাতগুলির উত্তেজনায় বন্ধ হয়ে যাবে আমার হৃথপিন্দ্ড
তারপর?
দুইজনে জন্মকালীন পোশাকে সুধু ফেনাময় বিছানায় শুএযাবো
ধীরে ধীরে তোমার ও আমার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেবে দুপেগ ওয়াইন
স্বর্গদ্বারে সেই আরামের ঘুম ও আমার প্রীয়তমাগো দেখো যেন না ভাঙে l

Tuesday, September 27, 2011

Poetry 9 of series 1

৯.
আমরা কি রান্নাঘরটি দেখতে চাই না
হ্যা আমরা  অবস্চয় চাই 
দূর থাকে দুরপাল্লার বসে গদি গদি করে আসা মানুষেরা উত্তর দেয়
একটাকার বিনিময়ে তাদের সেই সৌভাগ্য প্রদান করা হলে
তারা দেখে তিন তালা প্রকান্ড ঘরে কয়েক সাত লোক
ও বারোসো হাঁড়িতে প্রভুর জন্য শোরসপচারে রান্না হচ্ছে 
আমরা কি অন্ন ভোগ খাতে চাই না 
না আমরা চাই 
দূর থাকে দূর পাল্লার বসে গাদা গদি করে আসা মানুষেরা ততটা প্রত্যয় পাই না
যত টাকার বিনিময়ে তাদের সেই সৌভাগ্য প্রদান করা হবে প্রভু তাদের আদৌ ততটা সৌভাগ্য দেন নি 
 তাই তারা সুধু রান্না ঘরটি দেখে - বাইরের ঘুল ঘুলি থাকে রান্নার উনিক পদ্ধতি দেখে
রান্না ঘর থেকে হায়দ্দ্রেনে বয়ে আসা ভাতের ফ্যান ও ডালের স্রোত দেখে 
দেখে শুকনো থট চাটে আর যাবার আগে প্রভুর নামে জয়ধনী দেয়.  
  

Wednesday, September 21, 2011

Poetry 8 of Series 1

#

৮.

পাঁচ বছরের বেশী বয়স্ক শিশুরা ফাস্ট-ফুড খেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেলে 
বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: 'পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষদ্ধ'
রেলিং-এর ফাঁকগুলো বেয়েরা রকমের বড়
ফাস্ট-ফুড পোষ্য শিশুদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি উচ্চারিত শব্দেই থাকে 
আগে-পিছে মাত্র শ'দেড়েক লোক
যে সরু পথ বেয়ে উপরে উঠলে প্রভুর দেখা মেলে সেই পথ সংগত কারণেই বন্ধ 
কেবল গুলা পায়রাগুলই বকম বকম করতে করতে জানায় সমবেদনা
পান্ডাদের শক্ত বাহু শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখে ভক্তদের
কেও বা পান্ডা কলকাতার তো কেও বীরভুম-মুর্শিদাবাদের 
ক্রমশ ভারী হয়ে আসে বাতাস - প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়স্করা যে যার স্বভাবসুলভ চেচিয়ে ওঠে 
ঘড়িতে সকাল দশটা-কুড়ি, আর দশমিনিট  পরে প্রভুর খাদ্য গ্রহণ
আজকের মতো বিনা-ভেটে প্রভুকে দর্শণ করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট 
বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের চঞ্চল হয়ে উঠে নাড়ী.
স্বর্গের দরজা চিরদিনের মতো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যেন শত শত আদমের আর্তনাদ 
'খোল খোল দরজা খোল, প্রভু .................................'
দশটা-বাইশ - হঠাত-ই খুলে যায় সিনহ দরজা 
অধীর উত্তেজনায় মাতোয়ারা মানুষ দিগবিদিগ ভুলে চেঁচিয়ে ওঠে 
'জয় প্রভু, জয় প্রভু ............................ দেখা দাও প্রভু'
শহর বাঁচাতে বর্ষাকালে ড্যামের ছেড়ে দেওয়া গ্রীষ্মের জল যে উল্লাসে গিলে খাই গ্রাম-বাংলা 
সেই উল্লাসে পিছনের জনতার স্রোতে খর-কুটো ভেসে যায় সামনের মানুষেরা 
চড়া স্রোত-ও তয়রি হয় কিছু যুবক ও তাদের অস্থির পেশী শক্তির আস্ফালনে 
আপত্কালীন তথ্পরটাই গড়ে তলা সরকারি বালির বাঁধ পুলিশের ঢাল নিমেষে উবে যায় 
শেষ-পর্য্যন্ত চোখ মেলে তাকাবার সুযোগ যদি যায় পাওয়া 
ঝটিকা বন্যার পর পরে থাকা কিছু ভাঙা-চড়া বিধস্ত বাড়ি-ঘরের মতো 
মানুসের মলিন মুখ ও করুন চোখের ভান্সা পড়ে
ততোধিক উল্লাসে চিত্কার করা যায় - 'জয় প্রভু, জয় প্রভু............দেখা দিলে প্রভু, আমি ধন্য'.

Wednesday, June 22, 2011

Poetry 7 of Series 1


#
৭.

আগুনটা উস্কাবার দরকার নেই
বেশ জ্বলছে
দূর শালা মরেও সবাইকে জ্বালাচ্ছে
শরীর ভর্তি জল
আরে না না মার লাঠির বাড়ি
কার্বন ঝরে যাবে
একসাথে প্রশান্ত মহাসাগরের
অগ্নেও মেখলা
একসাথে চোদ্দটা ভোজের
উননে আগুন
কয়েকজন ভিখারীমানুষ
গরম হল্কা 
সর্গদ্বারে এসে বসে থাকা 
গভীর অপেক্ষায়
ধর্মরাজার বহন সঙ্গ দেয়, খায়
আগুনের উচ্ছিষ্টাংশ 
কেবল একটি কিশোর নীল চোখে
সমুদ্রের জল 
কেবল একটি তরুণীর ফর্সা সিঁথিতে
সমুদ্রের ফেনা 
আগুনটা উস্কাবার দরকার নেই
বেশ জ্বলছে..