"আমাকে আমার মতো মনে করতে পারাটাও একপ্রকার অর্ধসত্য - যার জন্যে কোনো যুক্তিগ্রায্য শৃঙ্খলা নেই বলে অনেকের মতো আমিও বিশ্বাস করেছি; সুতরাং ব্যক্তিগত জীবন দর্শন অপেক্ষা শিল্প-সচেতন প্রকাশ ভঙ্গিটিই এখন সভ্যতার নিয়ন্ত্রণশক্তি - যাকে পরিচালনা করে মন এবং মেধা এবং যার মধ্যে একটি আশারন্জক পটভূমিও বর্তমান"
কবি সমালোচকের আলোয় বা আলোহীন জ্যোতিষ্ক সবগুণাতীত পুরুষের জটা ধরে বিশিষ্টতা পায় সারা বছর সেই জ্যোতিষ্কের ষোলোকলার অন্তত একটিকে ধরে রেখে বিশিষ্ট চন্দ্রভাগা তবু রয়ে গেছে তার প্রশান্ত স্নিগ্ধ বুক উন্মুক্ত করে নিন্দুকে বলে নষ্ট সে, তবু রসিক জনেরা জানে তার কথা পাগল ব্যক্তি বিশেষ শেষপযর্ন্ত তার প্রেমে মজে ডোবে চোরাবালিতে রাত্রিশেষে সাইন বোর্ডে লেখা হয় বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ - এখানে স্নান করা নিষেধ ll
পিছলে পড়া আলোর আদরে, মৃদু উষ্ণতায়, উচ্ছৃঙ্খল শব্দে বন্দী আকাশ কিছু পলকা পালক উড়ে আসে তাদের ডানার ঝাপটে ভাগ্যবানেরাই পায় তার ডানার ঝাপট - এই বিশ্বাস আজ রয়ে গেছে সন্ধেবেলায় সূর্য যখন লাল তারা দ্বীপে ফিরে যায়, হয়ত বিশ্রাম করে সারাগায়ে মেখে নিয়ে সবুজ-মেকআপ l
লেগুণ লেগুণ তুমি কার, রতনাকর রক্তের সম্পর্কে চত্ব একফালি সবুজ ধ্যানমগ্ন ডুবে থেকে নীলের ভিতর টাকার মূল্য খুবই কম ডলারের কাছে বহুজাতিক উত্সবময়তা কুঁড়ে কুঁড়ে খায় কৌম ধারণা বেচারা লেগুণ, বহুজাতিক-আন্তর্জাতিক রাহুর দৃষ্টিতে ক্ষয়ে যেতে থাকে বদলে যেতে থাকে তার রাসায়নিক চরিত্র, নীল রক্ত সবুজ হয়ে যায় কৌম তখন দূরে দাঁড়িয়ে ঠোঁট কামরায় আর প্রতিক্ষা করে একসময় বিস্ফোরণে প্রভুদের ঘুম ভাঙে অমৃত পানের পরই রাহুর মাথা কাটা হয় কৌম ফিরে পায় তার যুগ-যুগের অর্জিত জ্ঞানের অধিকার লেগুণ লেগুণ তুমি কার, রতনাকর রক্তের সম্পর্কে ll
শেষ যেদিন তোমাকে নিয়ে বেড়াতে যাবো প্রীয়তমা তোমাকে কিনে দেব ওয়াইন কালারে ছাপানো কটকি আকাশটাই উপহারের জন্য নিয়ে নেও ধোওয়া ধোওয়া ভেসে আসা নীল সাগর তারপর? দুজনে গিয়ে বসবো কটকি আকাশ ও নীল সাগরের সঙ্গমস্থলে হাঠতই তোমার সারা শরীরের রক্ত এসে জমা হবে গালে কানে সারা মুখে বড়ই চেনা শোনা একান্ত আপন রাতগুলির উত্তেজনায় বন্ধ হয়ে যাবে আমার হৃথপিন্দ্ড তারপর? দুইজনে জন্মকালীন পোশাকে সুধু ফেনাময় বিছানায় শুএযাবো ধীরে ধীরে তোমার ও আমার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেবে দুপেগ ওয়াইন স্বর্গদ্বারে সেই আরামের ঘুম ও আমার প্রীয়তমাগো দেখো যেন না ভাঙে l